London Bangla Summary and Anslysis

London Bangla Summary and Anslysis

উইলিয়াম ব্লেকের কবিতা London তার বিখ্যাত Songs of Experience কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। কবিতাটি লন্ডন শহরের অবস্থা, সামাজিক অসাম্য, এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের চিত্র তুলে ধরে। এটি ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লব এবং তার পরবর্তী সময়ে সমাজে যে অবক্ষয় ও শোষণ তৈরি হয়েছিল তার গভীর সমালোচনা।

কবিতার পটভূমি: ব্লেক এই কবিতায় লন্ডন শহরের চিত্র অঙ্কন করেছেন, যেখানে ধনী ও ক্ষমতাশালী ব্যক্তিরা গরিবদের শোষণ করে। চার্চ, রাজতন্ত্র এবং আইনের মতো প্রতিষ্ঠানের মুখোশের আড়ালে মানুষের দুঃখ ও কষ্ট লুকিয়ে রাখা হয়েছে। কবিতাটি ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ এবং সমালোচনার মাধ্যমে মানবজীবনের অবমাননা ও শোষণের বিষয়ে আলোকপাত করে।

বাংলা সারাংশ

প্রথম স্তবক: শহরের শৃঙ্খলিত অবস্থা

কবিতার শুরুতে কবি লন্ডনের রাস্তাগুলোর বর্ণনা দেন। তিনি শহরের প্রতিটি কোণায় মানুষের মুখে দুঃখের ছাপ দেখতে পান। শহরের প্রতিটি রাস্তায় এবং থেমস নদীর ধারে মানুষের কষ্টের প্রতিধ্বনি শোনা যায়। কবি বলেন, এই শৃঙ্খল মানুষের মনেরই সৃষ্টি—“mind-forged manacles”—যা তাদের মুক্তির পথে বাধা সৃষ্টি করে।

দ্বিতীয় স্তবক: সবার কষ্টের প্রতিধ্বনি

কবি শিশু, পুরুষ, নারী—সব শ্রেণির মানুষের আর্তনাদ শুনতে পান। এই আর্তনাদ মানুষের দুঃখের গভীরতা প্রকাশ করে। এটি বোঝায় যে লন্ডনের সমাজে শোষণ এবং অত্যাচার এমনভাবে গেঁথে আছে যে এটি প্রতিটি মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলে।

তৃতীয় স্তবক: চার্চ ও রাজতন্ত্রের সমালোচনা

ব্লেক চার্চ এবং রাজতন্ত্রের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি চার্চকে “black’ning Church” বলে উল্লেখ করেছেন, যা ইঙ্গিত দেয় চার্চের ভণ্ডামি এবং গরিবদের প্রতি তাদের অবহেলার প্রতি। রাজতন্ত্রকে “blood down Palace walls” বলে উল্লেখ করে তিনি দেখান যে, রাজা ও ধনী ব্যক্তিদের বিলাসিতার মাশুল দিতে হয় সাধারণ মানুষকে।

আরো পড়ুনঃ Ode Intimations of Immortality Bangla Summary 

চতুর্থ স্তবক: পতিতা ও শিশুর দুর্দশা

কবিতার শেষ অংশে ব্লেক পতিতাবৃত্তি এবং শিশুশ্রমের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, লন্ডনের রাস্তায় গরিব নারীরা নিজেদের সন্তানদের ক্ষুধার জ্বালা মেটাতে পতিতাবৃত্তি করতে বাধ্য হয়। এর ফলে শিশুদের জীবন হয় দুর্বিষহ। এই পরিস্থিতি সমাজের নৈতিকতার অবক্ষয় এবং অসাম্যকে আরও প্রকট করে।

মূল ভাবনা

  • কবিতায় ব্লেক সমাজের শোষণমূলক প্রকৃতি এবং মানুষের স্বাধীনতার অভাব নিয়ে কথা বলেছেন।
  • শিল্পায়নের কারণে মানুষের জীবন হয়ে উঠেছে যান্ত্রিক এবং শোষণমূলক।
  • চার্চ, রাজতন্ত্র এবং সমাজের ধনী শ্রেণি সাধারণ মানুষের দুর্দশার জন্য দায়ী।
  • কবিতাটি সামাজিক বিপ্লবের প্রয়োজনীয়তা এবং মানবিক মূল্যবোধের পুনঃপ্রতিষ্ঠার আহ্বান জানায়।

London কবিতাটি লন্ডনের প্রতি ব্লেকের গভীর ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে। এটি শিল্পায়নের নেতিবাচক প্রভাব, সামাজিক বৈষম্য এবং শোষণের একটি দৃশ্যমান প্রতিফলন। কবিতাটি মানুষের স্বাধীনতা এবং মানবিক মূল্যবোধ পুনরুদ্ধারের জন্য একটি অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়।

London Key Facts

  • Title: London
  • Author: William Blake (1757-1827)
  • Tile of Author: Precursor of romanticism
  • Year Published: 1794
  • Collection Name: “Songs of Experience”
  • Genre: Poetry
  • Tone: Melancholic and sorrowful
  • Point of View: First person
  • Stanza and Lines Number: The poem consists of four stanzas, each containing four lines.
  • Rhyme Scheme: The rhyme scheme varies throughout the poem, but generally follows an ABAB pattern.
  • Setting: The poem is set in the city of London during the late 18th century.

London Bangla Summary

“London” কবিতাটিকে ভালো করে বুঝার জন্য আমরা ৫ ভাগে ভাগ করতে পারি। চলুন আলোচনা করা যাক।

লন্ডন শহরের বর্ণনা: কবি অন্ধকার ও দুর্ভোগে নিমজ্জিত একটি শহর চিত্রিত করেছেন। তিনি লন্ডনের রাস্তায় হাঁটার বর্ণনা দিয়েছেন যেখানে  তিনি টেমস নদীকে দেখেছেন। যেটি এখন স্বাভাবিক ফ্লো হারিয়ে মানুষের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। এটি দ্রুত নগর সম্প্রসারণের অমানবিক প্রভাব এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ক্ষতিকে প্রকাশ করে।

লন্ডন শহরের মানুষের অবস্থা: তিনি মানুষের মুখে দুর্বলতা এবং হতাশার চিহ্ন দেখেছেন।  কবি উল্লেখ করেছেন যে শহরের মানুষের অবস্থা করুণ। সকল বয়সের বয়সের মানুষ বেদনায় জর্জরিত। মানুষেরা ছোট বাচ্চাদের মতো নিরাপত্তাহীনতার ভয়ে কান্না করছে। প্রত্যেকটি মানুষের অভিশাপমূলক আর্তনাদে কবি বুঝতে পারছেন যে শাসক গোষ্ঠী তাদের ক্ষমতা লোভে সাধারণ মানুষের সাথে যেমন খুশি তেমন আচরণ করছে। সাধারণ মানুষেরা  মৌলিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্থ করা হয়েছে। 

আরো পড়ুনঃ London 1802 Bangla Summary and Analysis

শাসক গোষ্ঠীর ব্যর্থতা: শাসক গোষ্ঠী তাদের নিজেদের প্রভাব ধরে রাখার জন্য সৈন্যদের ব্যবহার করছে। কবি রাজতন্ত্র এবং গির্জার নিপীড়ক প্রকৃতির উপর আলোকপাত করেছেন। তিনি প্রাসাদের দেয়ালে রক্তের দাগ দিয়ে অসহায় সৈনিকের অনুভব করা যন্ত্রণা ও দুর্দশার উপর জোর দিয়েছেন। তিনি মূলত যুদ্ধের সহিংসতা এবং শাসক শক্তির জটিলতার মধ্যে একটি সংযোগ নির্দেশ করেন। শাসক গোষ্ঠী মানুষের মনকে জয় করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের দুর্নীতি আর অপশাসনের ফলে সমাজে বিশৃঙ্খলা বৃদ্ধি পেয়েছে। 

চার্চের ব্যর্থতা: চার্চ তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে। ধর্মশালা থেকে নৈতিক শিক্ষার অবনতি হয়েছে। যার কারণে লন্ডন শহরের রাস্তা ঘটে বেশ্যাদের দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। নৈতিক শিক্ষার অভাব না হলে বেশ্যাদের দেখা যেতোনা যারা অর্থের জন্য নিজেদের শরীর বিলিয়ে দিচ্ছে। এই অবৈধ মিলনের ফলে যে শিশু জন্ম নিচ্ছে তাকে সমাজ গ্রহণ করেনা। এই পথশিশুরা নিজেদের জীবনের সুখ সাচ্ছন্দ খুঁজে পায়না। চার্চ যদি ধর্মীয় দিক থেকে সমাজে বিয়ের প্রচলন আরো সহজলভ্য করতো তাহলে এধরণের সমস্যা মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়তোনা। 

চিমনি সুইপার: চিমনি সুইপার শিল্পোন্নত সমাজে শিশুদের শোষণের প্রতিনিধিত্ব করেন। এখানে শিশুর দুর্ভাগ্যজনক এবং করুণ অবস্থার ইঙ্গিত দেযা হয়েছে। চিমনি সুইপার সম্পর্কে কবি বলেন চিমনি সুইপার যারা আছে তারা বেশিরভাগই পথশিশু। এই শিশুগুলো অসহনীয় ব্যথা নিয়ে তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। শাসকগোষ্ঠীর এব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া উচিত ছিল।  পাশাপাশি এখানে চার্চের উচিত ছিল পথ শিশুদেরকে সুন্দরভাবে ধর্মীয় জ্ঞান দিয়ে পরিপূর্ণ মানুষ করে তোলা।

আরো পড়ুনঃ Introduction (Songs of Innocence) Bangla Summary

ওভারঅল, “London” হল লন্ডন শহরের অন্ধকার, হতাশা এবং নিপীড়ন সম্পর্কে একটি সমালোচনামূলক কবিতা। ব্লেক সামাজিক ও রাজনৈতিক সমস্যাগুলির উপর জোর দেন যা সমাজকে জর্জরিত করে। কবি জনগণের দুঃখকষ্ট স্থায়ী হওয়ায় চার্চের ভূমিকা এবং ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তিদের নিন্দা করে।

Riya Akter
Riya Akter

আমি রিয়া আক্তার। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে অনার্স মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি। ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে অনেকদিন যাবত কাজ করি। অবসর সময়ে মুভি দেখতে অনেক ভালো লাগে। ঘুরতে খুব বেশি পছন্দ করি। যে কাজের দ্বারা মানুষের ক্ষতি হবে এমন কাজ থেকে দূরে থাকি। সব সময় সৎ থাকার চেষ্টা করি।

Articles: 31