Tess of the d’Urbervilles Bangla Summary and Analysis
Brief Biography of Thomas Hardy

থমাস হার্ডি (Thomas Hardy) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক, কবি এবং নাট্যকার। তিনি ১৮৪০ সালের ২ জুন ইংল্যান্ডের ডরসেট কাউন্টির স্টিন্সফোর্ডে জন্মগ্রহণ করেন। হার্ডি মূলত তার উপন্যাসগুলোর জন্য বিখ্যাত, যেগুলো ইংল্যান্ডের গ্রামীণ সমাজের বাস্তবতা, প্রেম, এবং সামাজিক দ্বন্দ্বকে গভীরভাবে তুলে ধরে।
তার উল্লেখযোগ্য উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে Tess of the d’Urbervilles, Far from the Madding Crowd, এবং Jude the Obscure। তার লেখায় সমাজের কঠোর নিয়ম-কানুন এবং মানুষের আবেগের দ্বন্দ্ব প্রাধান্য পায়।
কবিতার ক্ষেত্রেও হার্ডি ছিলেন অন্যতম। যদিও তার উপন্যাসগুলো তাকে খ্যাতি এনে দেয়, কবি হিসেবেও তার অবদান যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। তার কবিতায় প্রকৃতি, মৃত্যু এবং মানুষের দুর্ভোগের বিষয়গুলো সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে।
১৯২৮ সালের ১১ জানুয়ারি থমাস হার্ডি ডরচেস্টারে মারা যান। তার সাহিত্যকর্ম আজও বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত এবং পাঠকদের মন ছুঁয়ে যায়।
Historical Context of Tess of the d’Urbervilles
থমাস হার্ডির উপন্যাস Tess of the d’Urbervilles প্রকাশিত হয় ১৮৯১ সালে, যা ভিক্টোরিয়ান যুগের সামাজিক, অর্থনৈতিক, এবং নৈতিক বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে।
১. ভিক্টোরিয়ান সমাজের নীতি ও নৈতিকতা: এই সময়কালে ব্রিটিশ সমাজ ছিল কঠোর নৈতিক মূল্যবোধ ও সামাজিক নিয়ম-কানুনে আবদ্ধ। নারী চরিত্র বিশেষ করে নারীত্ব, সতীত্ব এবং সম্মানের ধারণা নিয়ে কঠোর দৃষ্টিভঙ্গি প্রচলিত ছিল। টেস চরিত্রটি এই সমাজব্যবস্থার শিকার, কারণ সমাজ তার ভুল ও দুর্ভাগ্যের জন্য তাকে দায়ী করে।
২. শিল্পবিপ্লব ও গ্রামীণ জীবনের পরিবর্তন: উপন্যাসের সময়কাল ছিল শিল্পবিপ্লবের সময়, যখন গ্রামীণ জীবনের উপর আধুনিকতার প্রভাব পড়তে শুরু করে। কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছিল, এবং জমিদার শ্রেণি ও কৃষক শ্রেণির মধ্যে সামাজিক বৈষম্য বাড়ছিল। এই পটভূমিতে টেসের পরিবার তাদের অতীত অভিজাতত্ব ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করে।
আরো পড়ুনঃ Pride and Prejudice Bangla Summary and Analysis
৩. ধর্ম এবং আধ্যাত্মিক সংকট: ভিক্টোরিয়ান যুগে ধর্মের প্রতি বিশ্বাস দুর্বল হয়ে পড়ছিল। বিজ্ঞান ও ধর্মের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছিল, যা মানুষের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক চিন্তাধারায় প্রভাব ফেলেছিল। টেসের জীবনে ধর্মের ভূমিকা এবং সমাজের তাকে বিচার করার নৈতিক ভিত্তি এই সংকটকে প্রকাশ করে।
৪. নারীর অবস্থান ও অধিকার: এই উপন্যাসটি নারীর অধিকার এবং স্বাধীনতার প্রশ্ন তোলে। টেসের সংগ্রাম ও সমাজের কঠোর বিচার নারীর অবস্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সৃষ্টি করে।
‘টেস অফ দ্য ডারবারভিলস’ সেই সময়ের সমাজের অমানবিকতা, নারীর প্রতি বৈষম্য এবং সমাজের কঠোর মানসিকতার এক বাস্তব প্রতিচ্ছবি। এটি হার্ডির সাহসী লেখনী এবং ভিক্টোরিয়ান যুগের নৈতিকতার উপর এক গভীর সমালোচনা।
Key Facts about Tess of the d’Urbervilles
- Full Title: Tess of the d’Urbervilles: A Pure Woman Faithfully Presented
- When Written: 1887-1891
- Where Written: Dorchester, England
- When Published: 1891
- Literary Period: Victorian Realism
- Genre: Realist Fiction
- Setting: Southwest England, the fictional county of Wessex
- Climax: Tess murders Alec and flees with Angel
- Antagonist: Alec d’Urberville, society in general
- Point of View: Third person omniscient, but generally follows Tess
Tess of the d’Urbervilles Characters
টেস ডার্বিফিল্ড: উপন্যাসের প্রধান চরিত্র টেস একজন সুন্দরী, নিষ্পাপ যুবতী, যিনি অন্যদের কর্মকাণ্ডের কারণে ভোগান্তির শিকার হন। তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হলেও তার করুণ পরিণতি এড়াতে পারেন না।
অ্যালেক ডি’আরবারভিল: উপন্যাসের প্রধান প্রতিপক্ষ অ্যালেক একজন ধনী ও ছলনাময়ী ব্যক্তি। তিনি টেসকে প্রলোভিত করে তার জীবন ধ্বংস করেন। অ্যালেক প্রাচীন অভিজাত সমাজের দুর্নীতি ও অবক্ষয়ের প্রতীক।
অ্যাঞ্জেল ক্লেয়ার: অ্যাঞ্জেল একজন শিক্ষিত এবং আদর্শবাদী ব্যক্তি। তিনি টেসকে ভালোবাসেন এবং বিয়ে করেন। তবে বিয়ের পর টেসের অতীত মেনে নিতে না পেরে তাকে ছেড়ে যান।
জোয়ান ডার্বিফিল্ড: টেসের মা জোয়ান একজন পরিশ্রমী ও যত্নশীল নারী।
জন ডার্বিফিল্ড: টেসের বাবা জন একজন অলস, দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং আত্মকেন্দ্রিক ব্যক্তি। তিনি নিজের পরিবারের সুখ-সমৃদ্ধির প্রতি কোনো নজর দেন না।
আরো পড়ুনঃ A Tale of Two Cities Bangla Summary and Analysis
মিসেস ডি’আরবারভিল: অ্যালেকের মা মিসেস ডি’আরবারভিল একজন ধূর্ত ও ভণ্ড নারী, যিনি অ্যালেকের অনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করেন।
রেভারেন্ড ক্লেয়ার: অ্যাঞ্জেলের বাবা রেভারেন্ড ক্লেয়ার একজন সদয় ও সহানুভূতিশীল ব্যক্তি। তিনি টেসকে সাহায্য করার চেষ্টা করেন, কিন্তু তাকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হন।
ইজ হুয়েট: টেসের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইজ একজন দয়ালু ও বিশ্বস্ত নারী, যিনি অ্যাঞ্জেলকে ভালোবাসেন।
ম্যারিয়ান: টেসের বন্ধু ম্যারিয়ান একজন দৃঢ় ও স্বাধীনচেতা নারী।
ফ্লিন্টকম-অ্যাশ কর্মীরা: এই কর্মীরা একটি রুক্ষ ও নির্মম দল, যারা টেসের প্রতি সহানুভূতিহীন আচরণ করে।
Tess of the d’Urbervilles Themes
১. সামাজিক শ্রেণি ও বৈষম্য:
উপন্যাসটি ভিক্টোরিয়ান যুগের সামাজিক শ্রেণিভিত্তিক বৈষম্য তুলে ধরে। টেসের পরিবার একসময় অভিজাত শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত ছিল, কিন্তু বর্তমানে তারা দরিদ্র কৃষক। টেসের সংগ্রাম সমাজের বিভিন্ন স্তরের সঙ্গে তার মিথস্ক্রিয়া এবং শ্রেণি বৈষম্যের নির্মম বাস্তবতা প্রকাশ করে।
২. প্রকৃতি ও সভ্যতার সংঘাত:
উপন্যাসে প্রকৃতি এবং সভ্যতার মধ্যে গভীর দ্বন্দ্ব লক্ষ্য করা যায়। প্রকৃতি টেসের সরলতা এবং নিষ্পাপতার প্রতীক, অন্যদিকে সভ্যতা মানুষের সৃষ্টি করা কঠোর নিয়ম এবং বৈষম্যের প্রতীক। টেস প্রকৃতির সান্নিধ্যে শান্তি খুঁজে পান, তবে সভ্যতার নিষ্ঠুরতা তার জীবন ধ্বংস করে।
৩. যৌনতা:
উপন্যাসে যৌনতার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। অ্যালেক ডি’আরবারভিল টেসকে প্রলোভিত করে তার জীবন ধ্বংস করেন। টেসের জীবন এ ঘটনার পর সমাজের কঠোর দৃষ্টিভঙ্গি এবং তার নিজের অভিজ্ঞতার দ্বারা প্রভাবিত হয়।
৪. ধর্ম এবং আধ্যাত্মিকতা:
উপন্যাসে ধর্ম একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ধর্মের প্রতি মানুষের বিশ্বাস, নৈতিকতা এবং পাপ সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। টেস এবং অন্যান্য চরিত্রের কর্মকাণ্ডে ধর্মীয় অনুশাসনের দ্বন্দ্ব দেখা যায়।
৫. যৌন নৈতিকতা এবং লিঙ্গ ভূমিকা:
টেসের জীবনে সমাজের কঠোর যৌন নৈতিকতা এবং নারীর প্রতি বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর মর্যাদা এবং অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।
৬. আধুনিকায়ন এবং শিল্পায়ন:
উপন্যাসে কৃষি থেকে শিল্পায়নে রূপান্তর এবং এর ফলে গ্রামীণ জীবনে পরিবর্তনের চিত্র দেখা যায়। এই পরিবর্তন গ্রামীণ জীবন ও মানুষের সম্পর্ককে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
আরো পড়ুনঃ Jane Eyre Bangla Summary and Analysis
৭. নিষ্পাপতা এবং দুর্নীতি:
টেসের চরিত্রটি নিষ্পাপতার প্রতীক, তবে সমাজ এবং অ্যালেকের মতো চরিত্রের দ্বারা তার জীবন দুর্নীতিগ্রস্ত হয়। তার এই যন্ত্রণা এবং সংগ্রাম মানুষের নৈতিকতার প্রশ্ন তোলে।
৮. ভালোবাসা এবং সম্পর্ক:
উপন্যাসের কেন্দ্রীয় বিষয় ভালোবাসা এবং সম্পর্ক। অ্যাঞ্জেল ক্লেয়ারের প্রতি টেসের ভালোবাসা এবং তাদের সম্পর্ক সমাজ, নৈতিকতা এবং মানুষের প্রত্যাশার দ্বন্দ্বের মধ্যে দিয়ে যায়। এটি ব্যক্তিগত অনুভূতি এবং সামাজিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে সংঘাত তুলে ধরে।
Tess of the d’Urbervilles Bangla Summary
Tess of the D’Urbervilles উপন্যাসটি শুরু হয় ইংল্যান্ডের মারলট নামক গ্রামে, যেখানে জন ডার্বিফিল্ড নামের একজন সাধারণ কৃষক তার জীবিকা নির্বাহ করতেন। তিনি তার একমাত্র ঘোড়া প্রিন্সকে ব্যবহার করে গাড়ি চালিয়ে আয় করতেন। একদিন পথে জনের সঙ্গে পাদ্রী ট্রিংহামের দেখা হয়। পাদ্রী জানান, জনের পূর্বপুরুষরা ধনী এবং বিখ্যাত D’Urbervilles পরিবারভুক্ত ছিলেন। এই তথ্য শুনে জন অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে বাড়ি ফেরেন।
জনের মেয়ে টেস, উপন্যাসের নায়িকা, খুবই সুন্দরী এবং সরল প্রকৃতির। সেই সময় এলাকায় মেরি ডে উপলক্ষে একটি মেলার আয়োজন হয়, যেখানে টেস তার বান্ধবীদের সঙ্গে যোগ দেন। মেলায় টেসের দেখা হয় উপন্যাসের নায়ক অ্যাঞ্জেল ক্লেয়ারের সঙ্গে। অ্যাঞ্জেল টেসকে প্রথম দেখায় ভালোবেসে ফেলেন, যদিও তখন তারা কোনো গভীর আলাপ করেনি।
বাড়িতে ফেরার পর টেস জানতে পারে তার বাবা-মা তাদের পূর্বপুরুষদের পরিচয়ের সুবিধা নিতে চান। তবে টেস এতে অনিচ্ছুক ছিলেন। এরই মধ্যে তাদের পরিবারের আর্থিক দুর্দশা প্রকট হয় যখন তাদের একমাত্র উপার্জনক্ষম ঘোড়া প্রিন্স দুর্ঘটনায় মারা যায়। টেস নিজেকে দোষারোপ করেন এবং সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি D’Urbervilles পরিবারের কাছে সাহায্যের জন্য যাবেন।
টেস যখন D’Urbervilles পরিবারের কাছে যান, তখন তিনি অ্যালেক D’Urbervilles নামের এক যুবকের সঙ্গে পরিচিত হন। অ্যালেক টেসকে তাদের পোল্ট্রি ফার্মে চাকরি দিতে রাজি হন। তবে তিনি টেসকে নানা রকমভাবে উত্যক্ত করতে থাকেন। অ্যালেকের আচরণে টেস অস্বস্তি বোধ করলেও পরিবারের আর্থিক দুরবস্থার কথা ভেবে তিনি চাকরি চালিয়ে যেতে থাকেন।
একদিন রাতে টেস মেলা থেকে ফেরার পথে অ্যালেকের গাড়িতে চড়তে বাধ্য হন। সেই সময় অ্যালেক তাকে একটি জঙ্গলে নিয়ে যান এবং সেখানে টেসের প্রতি জঘন্য আচরণ করেন। এই ঘটনা টেসকে মানসিকভাবে ভেঙে দেয়। বাড়ি ফিরে তিনি নিজেকে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন। কিছুদিন পর তিনি একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন, যার নাম দেন সোরো। এই নামটি তার জীবনের দুঃখ-দুর্দশাকে প্রতিফলিত করে। তবে সন্তানের মৃত্যুর পর টেস আরেকটি নতুন জীবনের জন্য একটি ডেইরি ফার্মে কাজ নিতে বাধ্য হন।
এই ফার্মেই টেসের পুনরায় অ্যাঞ্জেলের সঙ্গে দেখা হয়। অ্যাঞ্জেল ধীরে ধীরে টেসকে ভালোবাসতে শুরু করেন। তবে টেস তার অতীতের কথা ভেবে অ্যাঞ্জেলের ভালোবাসার প্রতি সাড়া দিতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। একপর্যায়ে অ্যাঞ্জেল টেসকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। টেস নিজের মাকে চিঠি লিখে জানতে চান, তিনি কি অ্যাঞ্জেলকে তার অতীত জানাবেন? মা তাকে নিষেধ করেন। টেস তার অতীত জানাতে চাইলেও সে এক চিঠিতে লিখে তা ভুলবশত কার্পেটের নিচে ফেলে রাখেন। অ্যাঞ্জেল সেই চিঠি পড়তে পারেননি এবং তাদের বিয়ে হয়।
বাসর রাতে টেস তার অতীতের কথা অ্যাঞ্জেলকে জানান। অ্যাঞ্জেল শোনার পর স্তম্ভিত হন এবং তাকে ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি টেসকে বলেন, যদি কখনও আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তাহলে যেন তাকে জানান। এরপর টেস একাকী জীবন শুরু করেন।
পরে অ্যাঞ্জেল ব্রাজিলে যান এবং সেখানে বুঝতে পারেন তিনি টেসকে ছেড়ে ভুল করেছেন। এদিকে টেস তার পরিবারের দারিদ্র্যের কারণে আবারও কষ্টে পড়েন। সেই সময় অ্যালেক টেসের জীবনে ফিরে আসে। তিনি টেসকে বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং তার পরিবারকে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেন। টেস বাধ্য হয়ে তার প্রস্তাব মেনে নেন।
আরো পড়ুনঃ The Caretaker Bangla Summary and Analysis
একদিন অ্যাঞ্জেল ফিরে এসে টেসের মায়ের কাছ থেকে জানতে পারেন টেস এখন অ্যালেকের সঙ্গে বসবাস করছেন। অ্যাঞ্জেল টেসকে খুঁজতে শুরু করেন। একদিন একটি হোটেলে তিনি টেসের দেখা পান। টেস অ্যাঞ্জেলকে বলেন, “তুমি অনেক দেরি করে ফেলেছ।” এর পর টেস অ্যালেককে খুন করেন এবং অ্যাঞ্জেলের সঙ্গে পালিয়ে যান।
শেষে টেস পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার হন। মৃত্যুর আগে টেস অ্যাঞ্জেলকে তার ছোট বোন লিজাকে বিয়ে করার অনুরোধ করেন। টেসের মৃত্যুর মাধ্যমে উপন্যাসটি শেষ হয়।
উপন্যাসটি ভিক্টোরিয়ান যুগের সমাজব্যবস্থা, নৈতিকতা, এবং নারীদের দুর্ভোগের একটি চিত্র তুলে ধরেছে। লেখক থমাস হার্ডি অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে এই গল্পের মাধ্যমে সামাজিক বৈষম্য, অভিজাত বংশের অবক্ষয় এবং নারীদের প্রতি অন্যায় আচরণ ফুটিয়ে তুলেছেন।