To The Lighthouse Bangla Summary

To The Lighthouse Bangla Summary

Brief Biography of Virginia Woolf

ভার্জিনিয়া উলফ (১৮৮২-১৯৪১) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজি আধুনিকতাবাদী লেখক, প্রাবন্ধিক এবং সমালোচক। তিনি আধুনিক উপন্যাসে স্ট্রিম অফ কনশাসনেস কৌশল এবং নারীবাদী চিন্তার জন্য বিখ্যাত।

প্রাথমিক জীবন: ভার্জিনিয়া উলফের জন্ম লন্ডনে, এক বিদ্বৎপ্রিয় পরিবারে। তার বাবা স্যার লেসলি স্টিফেন ছিলেন ইতিহাসবিদ এবং মা জুলিয়া স্টিফেন ছিলেন একজন ফটো মডেল। ছোটবেলায় তিনি পরিবারে ব্যক্তিগত লাইব্রেরি থেকে প্রচুর বই পড়ার সুযোগ পান।

সাহিত্যিক অবদান: ভার্জিনিয়া উলফ আধুনিক সাহিত্য জগতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। তার বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • Mrs. Dalloway (১৯২৫): সময় এবং মানসিক চেতনার জটিলতাকে তুলে ধরেছে।
  • To the Lighthouse (১৯২৭): পারিবারিক সম্পর্ক এবং শিল্পের প্রকৃতি নিয়ে লেখা।
  • Orlando (১৯২৮): লিঙ্গ এবং পরিচয়ের জটিলতা নিয়ে কাজ।

নারীবাদী চিন্তা: উলফের প্রবন্ধ A Room of One’s Own (১৯২৯) নারীবাদী সাহিত্য এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতার ওপর একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তিনি নারীদের সৃজনশীল স্বাধীনতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

ব্যক্তিগত জীবন: তিনি ১৯১২ সালে লেখক ও সম্পাদক লিওনার্ড উলফকে বিয়ে করেন। তারা একসঙ্গে হগার্থ প্রেস প্রতিষ্ঠা করেন, যা অনেক গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য প্রকাশ করে।

মৃত্যু: মানসিক অবসাদে ভুগে ১৯৪১ সালে ভার্জিনিয়া উলফ নিজেকে ডুবে আত্মহত্যা করেন। তবে তার সাহিত্যিক কীর্তি তাকে অমর করে রেখেছে।

To The Lighthouse Key Facts

  • Full Title: To the Lighthouse
  • When Written: 1925-1927
  • Where Written: London and Sussex
  • When Published: 1927
  • Literary Period: Modernism
  • Genre: Novel of Consciousness
  • Setting: Isle of Skye, Scotland 1910-1920
  • Climax: Mrs. Ramsay’s vision of eternity at the dinner table
  • Point of View: Multiple

To The Lighthouse Characters:

রামসে পরিবার:

মিসেস রামসে: পরিবারের কেন্দ্রীয় চরিত্র। তিনি স্নেহশীল, পরিপূর্ণ স্ত্রী ও মা হিসেবে চিত্রিত। অতিথিদের প্রতি তার মাতৃসুলভ আচরণ এবং সম্পর্ক তৈরির ক্ষমতা তাকে বিশেষভাবে অনন্য করে তুলেছে।

মিস্টার রামসে: একজন দার্শনিক, যিনি নিজের প্রতিভা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশাগ্রস্ত। তিনি বাস্তববাদী এবং প্রায়ই পরিবারে কঠোরতা প্রকাশ করেন।

জেমস রামসে: রামসে পরিবারের কনিষ্ঠ সন্তান। ছোটবেলায় লাইটহাউস পরিদর্শনের আকাঙ্ক্ষা তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

বাবার প্রতি তার মিশ্র অনুভূতি রয়েছে—ভালোবাসা ও রাগ উভয়ই।

আরো পড়ুনঃ The Grass is Singing Bangla Summary

ক্যাম রামসে: রামসে পরিবারের আরেক সন্তান, যে বড় হয়ে বাবার প্রতি বিদ্রোহী হয়ে ওঠে।

অন্য সন্তানরা: রামসে পরিবারের আরো ছয় সন্তান রয়েছে, যারা উপন্যাসে আলাদাভাবে বিশদ বর্ণিত নয়।

অতিথি ও বন্ধুরা:

লিলি ব্রিসকো: একজন চিত্রশিল্পী এবং উপন্যাসের অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্র। তিনি সৃজনশীল স্বাধীনতা এবং নারীর ভূমিকা নিয়ে সংগ্রাম করেন। তার চিত্রাঙ্কন সৃজনশীলতার প্রতীক।

চার্লস ট্যান্সলি: মিস্টার রামসের ছাত্র। তার অহংকারী এবং কটূক্তিপূর্ণ আচরণ প্রায়ই মিসেস রামসেকে বিরক্ত করে। সে নারীদের সৃজনশীল ক্ষমতা নিয়ে অবজ্ঞাসূচক মন্তব্য করে।

পল রেলি ও মিঞ্জি ডয়েল: রামসে পরিবারের অতিথি। পল মিসেস রামসের পরামর্শে মিঞ্জিকে প্রস্তাব দেন।

উইলিয়াম ব্যাঙ্কস: মিস্টার রামসের বন্ধু এবং লিলির সঙ্গী। তিনি লিলির সৃজনশীল প্রতিভাকে সমর্থন করেন।

প্রতীকী চরিত্র:

লাইটহাউস: এটি একটি প্রতীকী চরিত্র হিসেবেও বিবেচিত হয়, যা প্রত্যেকের জন্য ভিন্ন অর্থ বহন করে।

To the Lighthouse Bangla Summary

To The Lighthouse নোভেলটি ব্রিটিশ লেখক ভার্জিনিয়া উল্ফ (Virginia Woolf) লিখেছেন। এটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। নোভেলটি ১৯১০ এবং ১৯২০ এর মাঝে রামসে পরিবারের আইল অফ স্কাই (Isle of Skye) পরিদর্শনের গল্পকে তুলে ধরেছে। সম্পূর্ণ নোভেলটি মোট ৩ টি সেকশনে বিভক্তঃ দ্য উইন্ডো (The Window) , টাইম পাসেস (Time Passes), এবং দ্য লাইটহাউজ (The Lighthouse). 

“দ্য উইন্ডো” সেকশনটি শুরু হয় ঠিক প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগমুহূর্তে। মি. এবং মিসেস রামসে তাদের আট বাচ্চাদের নিয়ে গ্রীষ্মের ছুটি কাটাতে তাদের সামার হাউজে যান। তাদের সামার হাউজটি হেব্রিডিসে (পশ্চিম স্কটল্যান্ডে অবস্থিত গুচ্ছ দ্বীপ)। তাদের সামার হাউজ থেকে একটু দূরে উপসাগরটি পার হলে একটি লাইটহাউজ আছে। ছয় বছর বয়সী জেমস রামসে সেই লাইটহাউজে যাওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে যায়।

আরো পড়ুনঃ Crossing the Water Bangla Summary

মিসেস রামসে তাকে এই শান্ত করে যে আগামীদিন আবহাওয়া ভালো থাকলে তারা সেই লাইটহাউজে যাবে। এটা শুনে জেমস খুশি হয়ে যায়। কিন্তু মি. রামসে জানায়, আবহাওয়ার অবস্থা খুব একটা ভালো না। এতে জেমস একটু রেগে যায়৷ তার ধারণা তার বাবা তার এবং তার অন্যান্য ভাইবোনের সাথে একটি বেশিই কঠোরতা অবলম্বন করেন। 

রামসে পরিবার তাদের বাসায় কিছু আত্মীয়দের দাওয়াত করেন। সেই দাওয়াতে চার্লস ট্যানস্লেও হাজির ছিলো। মি. রামসের মেটাগিজিক্যাল ফিলোসফার  এবং ট্যানস্লে তার কাজের খুব প্রশংসা করে। সেখানে লিলি ব্রিস্কোও উপস্থিত ছিল। লিলি ব্রিস্কো একজন পেইন্টার এবং সে মিসেস রামসের একটি চিত্র আঁকা শুরু করেন। মিসেস রামসে চান লিলির বিয়ে রামসে পরিবারের পুরনো বন্ধু উইলিয়াম ব্যাংকসের সাথে হোক। কিন্তু লিলি বিয়ে করতে রাজি হয়না, সে সারাজীবন সিঙ্গেল থাকতে চায়। যাহোক, মিসেস রামসে অন্য একটি বিয়ে দিতে সক্ষম হন। তাদের দুজন পরিচিত পল রেইলে এবং মিন্টা ডয়লের বিয়ে ঠিক করেন তিনি।

সেদিন বিকেলে পল মিন্টাকে প্রপোজ করে। এদিকে লিলি তার পেইন্টিং এর কাজ শুরু করে। মিসেস রামসে অস্থির জেমসকে শান্ত করার চেষ্টা করছেন। আর মি. রামসে ফিলোসফার হিসেবে তার যেসব ত্রুটি আছে সেগুলো নিয়ে তিনি চিন্তিত। সেই সন্ধ্যায় রামসে পরিবার একটি ফিনার পার্টির আয়োজন করেন। পল এবং মিন্টা রামসে পরিবারের দুই বাচ্চাকে সমুদ্র সৈকতে হাঁটতে যায় এবং ফিরতে লেট করে। লিলির পেইন্টিং দেখে চার্লস ট্যানস্লে জানায় যে মেয়েরা না পারে পেইন্টিং, আর না পারে লিখতে। এই কথা শুনে লিলি বেশ ক্ষিপ্ত হয়। অগাস্টাস কারমাইকেল নামক একজন কবি দ্বিতীয়বার স্যুপ চাইলে মি. রামসে রেগে যান। রাত যত গভীর হতে থাকে, সব অতিথিরা মিলে একটি স্মরণীয় সময় অতিবাহিত করে। 

মিসেস রামসে ডাইনিং ছেড়ে চলে যান এবং হঠাৎ করেই সেই ঘটনাটি অতীত হয়ে গেছে দেখায়। এরপর তিনি একটি পার্লারে তার স্বামীর সাথে যোগদান করেন। তিনি চান তার স্ত্রী যে তাকে ভালোবাসে সে কথাটি বলুক। কিন্তু মিসেস রামসে এধরণের কথা বলার মানুষ না। অবশ্য মি. রামসে জানেন যে তার স্ত্রী তাকে ভালোবাসেন। মিসেস রামসে মি.রামসেকে বলেন, আবহাওয়া অনেক খারাপ। এই অবস্থায় লাইট হাউজে যাওয়া যাবে না। এভাবেই সময় অতিবাহিত হয়ে যায়।

“টাইম পাসেস” সেকশনে সময় খুব দ্রুত চলে যায়। ইউরোপে যুদ্ধ শুরু হয়। মিসেস রামসে এক রাতে হঠাৎ করেই মারা যান। তাদের বড় ছেলে এন্ড্রিউ রামসে যুদ্ধে মারা যায় এবং তার বোন প্রু বাচ্চা জন্ম দিতে গিয়ে মারা যায়। রামসে পরিবার আর সামার হাউজে ভ্যাকেশনে যায়না। সামার হাউজ মাকড়সার জালে ছেয়ে গেছে, বাগানে আগাছে জন্মেছে। দশ বছর পর রামসে পরিবার আবার সেই সামার হাউজে যায়। মিসেস ম্যাকন্যাব আরও কিছু মানুষের সাহায্য নিয়ে বাড়িটা সম্পূর্ণ পরিস্কার করে দেয়। লিলি ব্রিস্কো ফিরে আসলে সব কিছু অনেকটা স্বাভাবিক হয়।

আরো পড়ুনঃ Poem in October Bangla Summary

এরপরে “দ্য লাইটহাউজ” সেকশন শুরু হয়। এই সেকশনও “দ্য উইন্ডো” এর মত ধীরে ধীরে অতিবাহিত হয়। “দ্য উইন্ডো” সেকশনে মি.রামসে বলেছিলেন যে তিনি জেমস ও ক্যামকে (মি. রামসের মেয়ে) লাইটহাউজে যাবেন। যাত্রার দিন সকালে দেরি হওয়াতে মি. রামসে অবেক রেগে যান। তিনি লিলির কাছে সহানুভূতি চাইলে মিসেস রামসেসের মত লিলি তাকে তা দিতে পারে না। 

অতঃপর তারা লাইটহাইজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে। লিলি লনে বসে এবং চিন্তা করে তার গতবারের শুরু করা পেইন্টিংটা এবার সম্পন্ন করবে। জেমস আর ক্যাম তাদের বাবার রুক্ষ মেজাজে কিছুটা বিরক্ত হয়। কিন্তু যখনই তারা লাইটহাউজে পৌঁছায়, তাদের বাবার প্রতি তারা ভালোবাসা অনুভব করে। মি. রামসে জেমসের নাবিক হওয়ার দক্ষতা নিয়ে প্রশংসা করেন। এতে বাবা-পুত্রের মধ্যে একটি ভালো সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। এদিকে লিলি তার পেইন্টিং এর কাজ শেষ করে। এই প্রথম সে একটা পেইন্টিং সম্পূর্ণ শেষ করতে পেরে অনেক আনন্দিত।

Sima Khatun
Sima Khatun

আমি সিমা খাতুন। আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স
কমপ্লিট করেছি। ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে আমার অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমি শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য সহজভাবে শেখাতে কাজ করি। শিক্ষার্থীদের সাহিত্যের প্রতি আগ্রহ বাড়ানোই আমার লক্ষ্য।

Articles: 128